সত্য বলা, চলা ও প্রচারই হোক বিসর্গের ভাষা...

হক ফেরকা বনাম বাতিল ফেরকা

মুসলিম সমাজে একটি হাদীস প্রচলিত আছে, "মুসলিম উম্মত ৭৩টি দলে বিভক্ত হবে, যার মধ্যে একটি মাত্র দল জান্নাতী, আর বাদবাকি সবাই জাহান্নামী।" হাদীসটি কতটা সহীহ, আমি জানি না। তবে এ হাদীসটির দোহাই দিয়ে প্রত্যেকটা দল বা মাজহাবই নিজের দলকেই একমাত্র হক ফেরকা বলে প্রচার করছে, আর বাদবাকি সবাইকে একবাক্যে বাতিল ও বিপথগামী সাব্যস্ত করছে। হাস্যকর এই অসুস্থ প্রবণতাটি বিশেষ করে দুইটি দলের মধ্যে সবচাইতে বেশি পরিলক্ষিত হয়। এই দু'দলের মাঝে আবার সাপে নেউলে সম্পর্ক। একটি দলের কাছে অপর দলটি নির্ঘাত কাফের ও সকল ফেতনার মূল।
প্রথম দলটিকে বলি, যদি তোমার ফেরকাটাই একমাত্র সহীহ ফেরকা হয়ে থাকে, তাহলে—

  • তোমার ফেরকার অনুসারীরা জগতের সবচেয়ে ধিকৃত ব্যক্তি ইয়াজিদের গুণকীর্তন করে কেন? কেন তারা নবী দৌহিত্র ইমাম হোসাইন (রা.)-এর দোষ অন্বেষণ করে বেড়ায়? যে ফেরকাটি একমাত্র সত্য ফেরকা হবে, তারা অবশ্যই সব দিক দিয়ে সত্যবাদী হবে, এটাই তো হবার কথা! কিন্তু কারবালার ঘটনার বেলায় তারা জেনেশুনে মিথ্যাচার ও ধান্ধাবাজির পরিচয় দেয় কেন?
আপনার রেটিং: None

বেহাল দশা

 

আপনার রেটিং: None

দেশেই তৈরি হচ্ছে যাত্রীবাহী রেল কোচ

 

আপনার রেটিং: None

কোরবানির চাহিদা মেটাবে ৪৫ লাখ দেশীয় পশু

২০১৬ সালে দেশে কোরবানিযোগ্য গরু-মহিষের সংখ্যা
ছিল ৪৪ লাখ ২০ হাজার। আর ছাগল-ভেড়ার চাহিদা ছিল ৭০ লাখ ৫০ হাজার। এ চাহিদার শতভাগ
মেটানো হয়েছিল দেশীয় পশুর মাধ্যমেই। এ বছরও ৪৪ থেকে ৪৫ লাখ পশু কোরবানি হওয়ার
সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের কৃষকদের খামারে পালিত পশু দিয়েই এই চাহিদা মেটানো সম্ভব।
কারণ এ বছরও ক্ষুদ্র এবং মাঝারি খামারিদের কাছ থেকে পাওয়া যাবে ৩০ থেকে ৩২ লাখ
গরু। আর গৃহস্থের ঘরে পালিত গরু ও মহিষ পাওয়া যাবে ১০ থেকে ১৪ লাখ। আর ছাগল ও ভেড়া
তো আছেই। গত বছর কোরবানিতে দেশে পশু সংকট হয়নি। আর এবারও হবে না। সরকারের পক্ষ
থেকে খামারিদের ব্যাংক ঋণের সুবিধাসহ নানান সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। কাজেই খামারিরা
কোরবানির অপেক্ষায় রয়েছে। গত বছরের মতোই কৃষকের ঘরে ও খামারে পালিত দেশীয় গরু-ছাগল

আপনার রেটিং: None

সত্যটা আর কবে বুঝবেন?

এ দেশের রাজনীতির মাঠের শীর্ষ খেলোয়াড়দের পরিচিতি
সবারই জানা, জানা আছে
তাদের সক্ষমতা, সহজাত প্রবণতা আর অতীতের সাফল্য-ব্যর্থতার নাড়ি-নক্ষত্র। কিন্তু এই
খেলোয়াড়দের অনেকেই তাদের দৃশ্যমান তৎপরতার সাথে পর্দার অন্তরালের অদৃশ্য খেলোয়াড়দের
সাথে গোপন আঁতাতে ম্যাচ ফিক্সিং এর মতো দূরভিসন্ধিমূলক নানা নাটকীয়তার জন্ম দিতে
সদা তৎপর। এরা কে যে কখন, কার জন্য কবর খুঁড়ে চলেছে তা বলা মুশকিল। তবে সচেতন
মানুষ মাত্রই জানেন, এদের কারণেই এ দেশে রাজনৈতিক মাঠে বৈরী হাওয়ার এতো দাপাদাপি, হাওর-বাঁওড়
থেকে রাজধানী, গ্রাম থেকে নগর বন্দর সবখানে মানুষ অস্বস্তিতে

আপনার রেটিং: None

আদিবাসী নয়; উপজাতি

 

 

আপনার রেটিং: None

বিএনপি চেয়ারপার্সনকে দেশে ফিরতে না দেওয়ার ইঙ্গিত

 

আপনার রেটিং: None

মাদকের আগ্রাসন রোধে সরকারের পদক্ষেপ

 

 

আপনার রেটিং: None

সম্প্রতি বেগম জিয়ার তাজ হোটেলে বৈঠক এবং অতীত ইতিহাস

 

আপনার রেটিং: None

সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে ‘স্কুল ব্যাংকিং’ কার্যক্রম

সময়ের সঙ্গে
পাল্লা দিয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে ‘স্কুল ব্যাংকিং’ কার্যক্রম। স্কুল শিক্ষার্থীদের
মধ্যে সঞ্চয়ের মনোভাব গড়ে তুলতে ২০১০ সালের নবেম্বরে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে ‘স্কুল ব্যাংকিং’

আপনার রেটিং: None
Syndicate content