সত্য বলা, চলা ও প্রচারই হোক বিসর্গের ভাষা...

আন্‌-নওয়াবীর চল্লিশ হাদীস: (০১)

১। আমীরুল মুমিনীন আবূ হাফস্ উমার ইবনু আল-খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেছেন—

আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি— “সমস্ত কাজের ফলাফল নির্ভর করে নিয়্যতের উপর, আর প্রত্যেক ব্যক্তি যা নিয়্যত করেছে, তাই পাবে। সুতরাং যে ব্যক্তি আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের জন্য হিজরত করেছে, তার হিজরত আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের দিকে হয়েছে, আর যার হিজরত দুনিয়া (পার্থিব বস্তু) আহরণ করার জন্য অথবা মহিলাকে বিয়ে করার জন্য তার হিজরত সে জন্য বিবেচিত হবে যে জন্য সে হিজরত করেছে।”

[সহীহ্ আল-বুখারী: ১, সহীহ্ মুসলিম: ১৯০৭। মুহাদ্দিসগণের দুই ইমাম আবূ আব্দুল্লাহ্ মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল ইবনু ইব্রাহীম ইবনু মুগীরা ইবনু বারদেযবাহ্ আল-বুখারী এবং আবূল হাসান মুসলিম ইবনু হাজ্জাজ ইবনু মুসলিম আল-কুশায়রী আন্-নিশাপুরী আপন আপন সহীহ্ গ্রন্থে উল্লেখিত হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। যা সবচেয়ে সহীহ্ গ্রন্থদ্বয় বলে বিবেচিত হয়।]

হাদীসের মান: সহীহ্

কৃতজ্ঞতা: www.hadithbd.com

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

ইসলামের পঞ্চম খলিফা

উমার ইবনু আবদিল আযিয (রাহিমাহুল্লাহ):
বংশ পরিচয়: উমার ইবনু আবদিল আযিয (রাহিমাহুল্লাহ) ছিলেন ইতিহাসে বহুল আলোচিত ও নিন্দিত মারওয়ানের দৌহিত্র (Grandson)। তবে উমারের মাতুল বংশ এ পৃথিবীর সবোত্তম মানুষদের একজন উমার উবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে সম্পর্কিত। সে সম্পর্কের শুরুর কাহিনীটা বোধকরি এখানে বলে নিলে ভাল হবে।
উমার উবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু তখন ইসলামী জাহানের দ্বিতীয় খালিফা। প্রতিদিনের অভ্যাসমত উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু রাতের আধারে প্রজাদের অবস্থাদি দর্শনে বেরিয়েছেন। হঠাৎ এক কুড়েঘর থেকে শুনলেন নিম্পরুপ কথোপকথন:
এক মা তার কন্যাকে বলছে: এখন কেউ কোথাও নেই, দুধে কিছু পানি মিশিয়ে নাও মা।
কন্যা উত্তর দিচ্ছে: এ আপনি কি বলছেন আম্মা! আমাদের খালিফা দুধে পানি মিশাতে নিষেধ করেছেন আপনি কি তা শোনেননি?
মা উত্তর দিচ্ছে: উমারের লোকেরাতো এখন নেই।
কন্যা বলছে: উমারের লোকেরা নেই বটে, কিন্তু আল্লাহতো আছেন। তিনি কি দেখছেননা? আমি কখোনোই দুধে পানি মিশাবোনা।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (3টি রেটিং)

আমরা এবং আমরা

চোখ বন্ধ করে চিন্তা করি। এত বছর কাটিয়ে এসেও কেন জানি নিজের কাছে মনে হয় প্রাপ্তির খাতা এখনো শূন্য।
বর্তমানে র কাছে নিজে প্রশ্ন করি,"আমি কি শূন্য?"
এভাবেই কি শেষ পর্যন্ত খালি হাতে থাকব?
আমার কাছে হয়ত কাড়ি কাড়ি টাকা নেই। নিজের অনেক সীমাবদ্ধতা আছে। কিন্তু এর মাঝেও কি আমি কিছুই পাই নি? সময় যতই এগোয় ততই এই সব প্রশ্ন কড়া নাড়ে। মনের গভীরে।
আমাদের সমাজ এমন ভাবে তৈরী যে এখানে সিস্টেমের বাইরে গিয়ে চিন্তা করার পর্যাপ্ত সুযোগ আমরা পাই না। আমাদের ভেতর থেকে জন্ম থেকে খোদাই করা থাকে বড় হয়ে চাকরি করতে হবে, বেশি টাকা উপার্জন করতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। সমাজ আপনাকে বেধে রাখতে চাইবে নিজের গন্ডির মধ্যে। আমরা এতটাই অলস যে অই গন্ডি র ভেতরে থেকে নিজের গন্ডি আরো ও ছোট করে ফেলি। আমাদের মাঝে সন্তুষ্টি খুব কম। যত পাই তত চাই। এসব আমাদের হীন মানষিকতা মাত্র।একজন দিন মজুর কখনো দিনে হয়ত তিনশ টাকার বেশি উপার্জন করতে পারে না। কিন্তু দিনশেষে তিনশ টাকা উপার্জন করে সন্তুষ্ট না হয়ে ভাবে আরো বিশটা টাকা যদি পেতাম!!!

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

০০১. হে আল্লাহ্!

["লা-তাহযান" আরবী ভাষার একটি বহুল আলোচিত ও প্রসিদ্ধ গ্রন্থ। বইটির বাংলা অনুবাদ দেখে বিসর্গ ব্লগের পাঠকদের জন্য পর্যায়ক্রমে তুলে ধরার চেষ্টা করছি। বইটির অনুবাদ ও অনলাইন তথ্যসূত্র: www.hadithbd.com আল্লাহ্ বইটির লেখক, প্রকাশক, অনুবাদক, প্রচারকসহ যারা যেভাবে সংশ্লিষ্ট রয়েছেন; তাদের সকলকে সর্বোত্তম প্রতিদান দিন। -তথ্য ভাণ্ডারী]

গ্রন্থঃ লা-তাহযান [হতাশ হবেন না]  | রচনা/অনুবাদ/সংকলনঃ ড. আয়িদ আল করনী

১. হে আল্লাহ!

يَسْأَلُهُ مَنْ فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ كُلَّ يَوْمٍ هُوَ فِي شَأْنٍ

“আকাশসমূহ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই তার কাছে সাহায্য প্রার্থনা করে। প্রতি মুহুর্তে তিনি কাজে রত।” (৫৫-সূরা আর রাহমান: আয়াত-২৯)

(যেমন কাউকে সম্মান দান করা, কাউকে অপমানিত করা, নবসৃষ্টির মাধ্যমে কাউকে জীবন দান করা, কাউকেবা মৃত্যু দান করা ইত্যাদি কাজে রত)।

ছবি: 
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

যেমন কর্ম তেমন ফল

মানুষ যে ধরনের পাপ করে, সে ধরনের শাস্তিই ভোগ করে। অন্যায়ভাবে অন্যের যে ধরনের ক্ষতি করে, নিজেও এক পর্যায়ে ঠিক সে ধরনের ক্ষতিরই সম্মুখীন হয়। মানুষ যে অঙ্গ দিয়ে কোন অন্যায় করে, তা সে অন্যের উপর জুলুম হোক বা নিজের উপর জুলুম হোক, ঠিক সেই অঙ্গেই ক্ষতির শিকার হয়।
মুখ দিয়ে অন্যায়ভাবে সত্য-মিথ্যা গীবত করেছে, মানুষের বিপদ ঘটিয়েছে, কিন্তু নিজের চোয়ালে ব্যথা হয়নি, রুট ক্যানেল করা লাগেনি— এমন কাউকে দেখেছেন কি? মানুষকে লাথি মেরেছে, অথচ নিজের পায়ে একবারও ব্যান্ডেজ করা লাগেনি— এমন কোন নজির দেখেছেন কি? কেউ যৌন অপরাধ করেছে, অথচ যৌনাঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি বা যৌনরোগে আক্রান্ত হয়নি (অর্থাৎ, এইডস, গনোরিয়া বা ধ্বজঙ্গ হয়নি)— এরকম কারো হয়েছে কি?

আপনার রেটিং: None

|^| যে ব্যক্তি জেনে-শুনে অন্যকে পিতা হিসেবে দাবী করলো; তার জন্য জান্নাত হারাম!


পরিচ্ছন্ন পাঠের জন্য নিচের ছবিতে ক্লিক করুন >>>

ছবি: 
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (3টি রেটিং)

নারীদের নিকাব প্রসংগ

নারীদের নিকাব প্রসংগ

(আমার এ লেখাটি ঐসকল কিশোরী, যুবতী, বধু মাতাদের জন্য যারা নারীদের নিকাব বিতর্কে ও আলিম সমাজের মতভেদের দ্বন্ধে দিশাহারা এবং ভাবছেন যে, চেহারা খোলা রাখা জায়েয হয়ে থাকতে পারে। আমি মনে করি, মহা বিভীষিকাময় সে দিনটি এসে যাবার আগে প্রকৃত সত্যটি অবহিত হয়ে পথ চলা উচিত যেন তখন অনুশোচনার কোন কারন না ঘটে)।

ইতিহাসের নিরিখে নিকাব প্রসংগ:-
ব্যাপার এরকম ছিলনা যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর যুগে কোন কোন নারী চেহারা অনাবৃত অবস্থায় চলাফেরা করতো এবং  রাসুলুল্লাহ (সা) তা অপছন্দ করলেও অনুমতি দিয়েছিলেন। বরং ইতিহাস এর বিপরীত কথা বলে। রাসুল (সা) এর মুখ থেকে কখনো এ কথা উচ্চারিত হয়েছে বলে কোন দলিল খুজে পাওয়া যায়না যে, সুরা আন নুরের ৩১ নাম্বার আয়াতের  الا ما ظهر منها (যা আপনা আপনি প্রকাশিত হয়ে পড়ে) ব্যাখ্যায় তিনি চেহারাকেও বুঝিয়েছিলেন।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (3টি রেটিং)

আপনার আদরের সন্তানের ব্যাপারে সহজে নিশ্চিন্ত হবেন না

* আপনার সন্তান সিগারেট ছেড়ে দেবার খবর শুনেই তাৎক্ষণিকভাবে খুশীতে বাগবাগ হবেন না, সে ওটা ছেড়ে আরো বড় কিছু (যেমন- গাজা) ধরল কিনা, সেটা নিশ্চিত হয়ে নিন।

* আপনার সন্তান হস্তমৈথুন ছেড়ে দিয়েছে জেনে সাথে সাথে আনন্দিত হবেন না, সে তার চাইতে অধিক কোন পাপে (যেমন- ধর্ষণ, ব্যভিচার, সমকামিতা ইত্যাদি) লিপ্ত হলো কিনা, তা জেনে নিন।

* আপনার সন্তান আওয়ামী লীগের প্রতি বিরক্ত হয়ে পড়েছে বা গালিগালাজ করে লীগের চৌদ্দগুষ্টি উদ্ধার করতে শুরু করেছে জেনে আনন্দে আটখানা হবেন না। খোঁজ নিয়ে দেখুন, সে মনাদের দলভুক্ত হলো কিনা এবং আওয়ামী লীগ মনাদের অতটা পাত্তা না দেয়া এবং ধর্মের প্রতি কিছুটা নমনীয় ভাব দেখানোর কারণেই সে লীগের প্রতি ক্ষুব্ধ হয়ে উঠল কিনা। মনাদের দাবি মোতাবেক রোহিঙ্গাদের ঘাড় ধরে ফেরত না পাঠানোটাই সরকারের প্রতি তার ক্ষোভের কারণ কিনা।

* আপনার সন্তান শিবির ছেড়ে দিয়েছে জেনে পুলকিত হবার পূর্বে জেনে দিন, সে আরো মারাত্মক কোন কিছুতে (যেমন- জেএমবিতে) যোগ দিল কিনা।

* আপনার সন্তান ভণ্ডপীরের দরবারে যাওয়া ছেড়ে দিল বা নিজ ভণ্ডপীরের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করল বলে সাথে সাথে খুশীতে নেচে উঠবেন

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 1 (টি রেটিং)

পূজা কি আমাদের কালচার?

আল্লাহ তাআলা বলেন, "তোমরা হলে শ্রেষ্ঠ জাতি, যাদেরকে পয়দা করা হয়েছে সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজের নিষেধ করার জন্য।" সেই মোতাবেক একজন মুসলমানের দায়িত্ব হল, যখন কোন মানুষকে কোন অন্যায় বা গোমরাহী করতে কিংবা ভুল পথে চলতে দেখবে, তখন তাকে উপদেশ ও নসীহতের দ্বারা ফেরানোর চেষ্টা করবে, আর তাতে ব্যর্থ হলে সেই ভ্রান্ত কাজের স্থান থেকে নিজে দূরে সরে আসবে। আর যদি কাউকে এমন কোন অন্যায় করতে দেখে যা সরাসরি অন্যের অধিকার ক্ষুণ্ন করছে বা অন্যের উপর অত্যাচার বা বলপ্রয়োগ হচ্ছে, সেক্ষেত্রে বল প্রয়োগে সেই অন্যায় বন্ধ করবে ও ভিকটিমের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। তবে ধর্মবিশ্বাসের ব্যাপারে যেহেতু কারো মনের উপর জোর চলে না, বলপ্রয়োগে কারো চিন্তা ও বিশ্বাস পরিবর্তন করা সম্ভব নয়, সেহেতু সত্যধর্মের দাওয়াত প্রদান এবং দাওয়াতে কাজ না হলে সালাম জানিয়ে ফিরে আসাই কর্তব্য। কিন্তু কারো বাতিল ধর্ম ও বাতিল কালচারের উপর কায়েম থাকার প্রতি সন্তুষ্টচিত্তে সমর্থন ও একাত্মতা প্রকাশ করা মুসলমানের কাজ নয়।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে কমুনিষ্টদের চক্রান্ত ও অপতৎপরতা

বর্তমানে রোহিঙ্গা মুসলমানরা তিন দিক থেকে সাঁড়াশি আগ্রাসনের শিকার। এক দিকে বর্মী বামপন্থী সামরিক বাহিনী উগ্র বৌদ্ধ জঙ্গিদের সহায়তায় সরাসরি গণহত্যা চালাচ্ছে, অপরদিকে বর্মী হায়েনাদের এদেশীয় এজেন্ট ধর্মবিদ্বেষী ব্লগাররা রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে ঘৃণাব্যঞ্জক প্রচারণা চালিয়ে তাদেরকে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে কোণঠাসা করার অভিযান চালাচ্ছে, আবার আরেকদল এদেশীয় কমুনিষ্ট রোহিঙ্গাদের দরদী সেজে তাদের মুক্তিসংগ্রামকে অকেজো (neutralize) করার পাশাপাশি তাদেরকে ধর্মের পথ থেকে সরিয়ে দেবার তোড়জোড় করছে। একটু খেয়াল করলে বা মাথা খাটালেই বোঝা যাবে, এই তিনটি বাহিনী মূলত একই চক্রের তিনটি শাখা এবং এই তিন বাহিনীর অভিযান একই পরিকল্পনার আওতায় সংঘবদ্ধভাবে সংঘটিত হচ্ছে। নিচে এই তিন বাহিনীর তৎপরতা পৃথকভাবে আলোচিত হলো:-

১। বমী সামরিক জান্তা ও বৌদ্ধ জঙ্গিদের গণহত্যা ও নিধন অভিযান: এদের তৎপরতার কথা নতুন করে বলার কিছু নেই। প্রত্যেকেই এ ব্যাপারে অবহিত আছেন।

আপনার রেটিং: None
Syndicate content