'মোহভঙ্গ' -এর ব্লগ

আলেমের সংজ্ঞা

Under Construction

আমরা সাধারণ মানুষ যাকে একটু আরবী ভাষায় পণ্ডিত হিসেবে জানি তাকেই আলেম মনে করি। আর সাথে দু'চারবার হজ্জ-ওমরার রেকর্ড থাকলে তো কথাই নেই। অথচ আরবী জানাটা কোনমতেই ধর্মীয় জ্ঞানের মানদণ্ড হতে পারে না। আবু জেহেল, আবু লাহাব এরাও ছিল আরবী ভাষা ও সাহিত্যে পারদর্শী। আবার ধর্মীয় জ্ঞান তথা কোরআন-হাদীসের জ্ঞানে জ্ঞানী হলেই যে আলেম হবে, এমনও কোন কথা নেই। খ্রীস্টান মিশনারীরাও কোরআন-হাদীসের জ্ঞান ভালোই আয়ত্ত্ব করে থাকে। এমনকি খুদে নাস্তিকরাও কোরআনের আয়াত আপনার-আমার অনেকের চেয়ে বেশ ভালোই জানে। তাহলে আলেম আমরা কাকে বলব? মূলত: আলেম তাকেই বলে, যিনি কোরআন-হাদীসের জ্ঞান অর্জন করেছেন এবং সেই জ্ঞানকে দ্বীনের কল্যাণে, মানবতার কল্যাণে সৎ কাজে সদুদ্দেশ্যে ব্যবহার করছেন।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

তোষামোদ ও অতিভক্তির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

Under Construction

আমরা অনেক সময় আমাদের পীর বা ওস্তাদবৃন্দের প্রতি অতিমাত্রায় ভক্তি ও শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে থাকি এবং তাঁদেরকে মাত্রাতিরিক্ত প্রশংসা করে থাকি। আমরা অবশ্য আল্লাহর সন্তুষ্টি ও বরকত হাসিলের উদ্দেশ্যেই তাঁদের সেবা ও সম্মান করে থাকি। কিন্তু এটা সেবাকারী ও সম্মানকারীদের জন্য সওয়াব হাসিলের মাধ্যম হলেও কোন কোন সময় সেবা ও সম্মান লাভকারীদের জন্য পাপ ও ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। মুরীদ বা সাগরেদগণের কাছে তোষামোদ, প্রশংসা ও নি:স্বার্থ খেদমত পেয়ে নিজের সম্পর্কে একটা স্থূল ধারণা তৈরি হয় এবং নিজের দোষত্রুটি ও সীমাবদ্ধতার বিষয়ে অন্তরে পর্দা পড়ে যায়।
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 1 (টি রেটিং)

মানুষের চরিত্র নির্ধারণী ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

মানব প্রকৃতিতে এমন পাঁচটি বিশেষ প্রবণতা আছে, যার উপর তার চরিত্র ও ভাগ্য নির্ভর করে। এগুলো হলো:-
(১) কারো না কারো প্রতি নত ও সমর্পিত হওয়া
(২) কারো না কারো প্রতি অন্ধভাবে ও শর্তহীনভাবে আনুগত্য ও ভক্তি প্রদর্শন করা
(৩) কারো না কারো প্রতি আসক্ত হওয়া
(৪) কারো না কারো কাছে প্রশংসা ও বাহবা প্রত্যাশা করা
(৫) কারো না কারো প্রতি ক্রোধ, শত্রুতা ও বিবাদ
(৬) কারো না কারো প্রতি সহানুভূতি, বন্ধুত্ব ও ভালোবাসা
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 2.3 (3টি রেটিং)

চাতূর্যপূর্ণ সাম্প্রদায়িকতা

সাম্প্রদায়িক মনোভাবাপন্ন ও সাম্প্রদায়িক এজেন্ডাধারী ব্যক্তিদের চেনা বড় কঠিন। একজন সাম্প্রদায়িক চেতনাধারী ব্যক্তি যখন কোন দেশে রাষ্ট্রক্ষমতা ও সংখ্যাগরিষ্ঠতা উভয় দিক থেকে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকে, কেবল তখনই সে স্বরূপে আত্মপ্রকাশ করে। কিন্তু যে রাষ্ট্র বা সমাজে সে এ দুটির কোন একটি থেকে বঞ্চিত অবস্থায় থাকে, এককথায় যেখানে তারা পূর্ণ ক্ষমতাহীন বা সংখ্যালঘু অবস্থায় থাকে, তখন নিজের সাম্প্রদায়িক চরিত্র সহজে ধরা দেয় না। তার নামে সাম্প্রদায়িকতার অভিযোগ শুনলেও ভাববেন, সাম্প্রদায়িক কারণে সে যদি শত্রুতা করত, তাহলে সে শুধু ঐ এজনের সাথে করবে কেন, আমাদের সকলের সাথেই তো করতে পারত! এছাড়া সে নিজ সম্প্রদায়ের মানুষজনকেও তো বকাঝকা কম করে না, চড়-থাপড় কম মারে না! কাজেই এই মানুষটা বড়জোর উচ্চাভিলাসী হতে পারে, শুধু নিজের বা নিজের আত্মীয় বা ঘনিষ্ঠ কিছু লোকের সুবিধা বাগিয়ে নিতে পারে, হয়তো নিজের ও নিজের ঘনিষ্ঠ কিছু মানুষের স্বার্থে কিছু মানুষের জীবন ও জীবিকার উপরে হাত দিতে পারে, কিন্তু ultimately কোন সম্পূর্ণ

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3 (টি রেটিং)

উদার স্বামী!

রেহনুমা, রেহানা, মর্জিনা ও মাহফুজা চার বান্ধবী। তারা পরস্পরের কাছে নিজ নিজ স্বামীদের নিয়ে গল্প করে।
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 1 (টি রেটিং)

সুযোগ-সুবিধা আগে, নাকি নিরাপত্তা আগে?

ব্যক্তিগত, পারিবারিক, পেশাগত বা জাতীয় জীবনে আমরা অনেক সময়

আপনার রেটিং: None

স্বজনপ্রীতি নিয়ে একটা গল্প

এক দিগবিজয়ী সুলতানকে তার উজির পরামর্শ দিয়ে বললেন, "জনাব,

আপনার রেটিং: None

যেমন কর্ম তেমন ফল

মানুষ যে ধরনের পাপ করে, সে ধরনের শাস্তিই ভোগ করে। অন্যায়ভাবে অন্যের যে ধরনের ক্ষতি করে, নিজেও এক পর্যায়ে ঠিক সে ধরনের ক্ষতিরই সম্মুখীন হয়। মানুষ যে অঙ্গ দিয়ে কোন অন্যায় করে, তা সে অন্যের উপর জুলুম হোক বা নিজের উপর জুলুম হোক, ঠিক সেই অঙ্গেই ক্ষতির শিকার হয়।
মুখ দিয়ে অন্যায়ভাবে সত্য-মিথ্যা গীবত করেছে, মানুষের বিপদ ঘটিয়েছে, কিন্তু নিজের চোয়ালে ব্যথা হয়নি, রুট ক্যানেল করা লাগেনি— এমন কাউকে দেখেছেন কি? মানুষকে লাথি মেরেছে, অথচ নিজের পায়ে একবারও ব্যান্ডেজ করা লাগেনি— এমন কোন নজির দেখেছেন কি? কেউ যৌন অপরাধ করেছে, অথচ যৌনাঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি বা যৌনরোগে আক্রান্ত হয়নি (অর্থাৎ, এইডস, গনোরিয়া বা ধ্বজঙ্গ হয়নি)— এরকম কারো হয়েছে কি?

আপনার রেটিং: None

আপনার আদরের সন্তানের ব্যাপারে সহজে নিশ্চিন্ত হবেন না

* আপনার সন্তান সিগারেট ছেড়ে দেবার খবর শুনেই তাৎক্ষণিকভাবে খুশীতে বাগবাগ হবেন না, সে ওটা ছেড়ে আরো বড় কিছু (যেমন- গাজা) ধরল কিনা, সেটা নিশ্চিত হয়ে নিন।

* আপনার সন্তান হস্তমৈথুন ছেড়ে দিয়েছে জেনে সাথে সাথে আনন্দিত হবেন না, সে তার চাইতে অধিক কোন পাপে (যেমন- ধর্ষণ, ব্যভিচার, সমকামিতা ইত্যাদি) লিপ্ত হলো কিনা, তা জেনে নিন।

* আপনার সন্তান আওয়ামী লীগের প্রতি বিরক্ত হয়ে পড়েছে বা গালিগালাজ করে লীগের চৌদ্দগুষ্টি উদ্ধার করতে শুরু করেছে জেনে আনন্দে আটখানা হবেন না। খোঁজ নিয়ে দেখুন, সে মনাদের দলভুক্ত হলো কিনা এবং আওয়ামী লীগ মনাদের অতটা পাত্তা না দেয়া এবং ধর্মের প্রতি কিছুটা নমনীয় ভাব দেখানোর কারণেই সে লীগের প্রতি ক্ষুব্ধ হয়ে উঠল কিনা। মনাদের দাবি মোতাবেক রোহিঙ্গাদের ঘাড় ধরে ফেরত না পাঠানোটাই সরকারের প্রতি তার ক্ষোভের কারণ কিনা।

* আপনার সন্তান শিবির ছেড়ে দিয়েছে জেনে পুলকিত হবার পূর্বে জেনে দিন, সে আরো মারাত্মক কোন কিছুতে (যেমন- জেএমবিতে) যোগ দিল কিনা।

* আপনার সন্তান ভণ্ডপীরের দরবারে যাওয়া ছেড়ে দিল বা নিজ ভণ্ডপীরের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করল বলে সাথে সাথে খুশীতে নেচে উঠবেন

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 1 (টি রেটিং)

পূজা কি আমাদের কালচার?

আল্লাহ তাআলা বলেন, "তোমরা হলে শ্রেষ্ঠ জাতি, যাদেরকে পয়দা করা হয়েছে সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজের নিষেধ করার জন্য।" সেই মোতাবেক একজন মুসলমানের দায়িত্ব হল, যখন কোন মানুষকে কোন অন্যায় বা গোমরাহী করতে কিংবা ভুল পথে চলতে দেখবে, তখন তাকে উপদেশ ও নসীহতের দ্বারা ফেরানোর চেষ্টা করবে, আর তাতে ব্যর্থ হলে সেই ভ্রান্ত কাজের স্থান থেকে নিজে দূরে সরে আসবে। আর যদি কাউকে এমন কোন অন্যায় করতে দেখে যা সরাসরি অন্যের অধিকার ক্ষুণ্ন করছে বা অন্যের উপর অত্যাচার বা বলপ্রয়োগ হচ্ছে, সেক্ষেত্রে বল প্রয়োগে সেই অন্যায় বন্ধ করবে ও ভিকটিমের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। তবে ধর্মবিশ্বাসের ব্যাপারে যেহেতু কারো মনের উপর জোর চলে না, বলপ্রয়োগে কারো চিন্তা ও বিশ্বাস পরিবর্তন করা সম্ভব নয়, সেহেতু সত্যধর্মের দাওয়াত প্রদান এবং দাওয়াতে কাজ না হলে সালাম জানিয়ে ফিরে আসাই কর্তব্য। কিন্তু কারো বাতিল ধর্ম ও বাতিল কালচারের উপর কায়েম থাকার প্রতি সন্তুষ্টচিত্তে সমর্থন ও একাত্মতা প্রকাশ করা মুসলমানের কাজ নয়।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)
Syndicate content