'মোহভঙ্গ' -এর ব্লগ

আপনার আদরের সন্তানের ব্যাপারে সহজে নিশ্চিন্ত হবেন না

* আপনার সন্তান সিগারেট ছেড়ে দেবার খবর শুনেই তাৎক্ষণিকভাবে খুশীতে বাগবাগ হবেন না, সে ওটা ছেড়ে আরো বড় কিছু (যেমন- গাজা) ধরল কিনা, সেটা নিশ্চিত হয়ে নিন।

* আপনার সন্তান হস্তমৈথুন ছেড়ে দিয়েছে জেনে সাথে সাথে আনন্দিত হবেন না, সে তার চাইতে অধিক কোন পাপে (যেমন- ধর্ষণ, ব্যভিচার, সমকামিতা ইত্যাদি) লিপ্ত হলো কিনা, তা জেনে নিন।

* আপনার সন্তান আওয়ামী লীগের প্রতি বিরক্ত হয়ে পড়েছে বা গালিগালাজ করে লীগের চৌদ্দগুষ্টি উদ্ধার করতে শুরু করেছে জেনে আনন্দে আটখানা হবেন না। খোঁজ নিয়ে দেখুন, সে মনাদের দলভুক্ত হলো কিনা এবং আওয়ামী লীগ মনাদের অতটা পাত্তা না দেয়া এবং ধর্মের প্রতি কিছুটা নমনীয় ভাব দেখানোর কারণেই সে লীগের প্রতি ক্ষুব্ধ হয়ে উঠল কিনা। মনাদের দাবি মোতাবেক রোহিঙ্গাদের ঘাড় ধরে ফেরত না পাঠানোটাই সরকারের প্রতি তার ক্ষোভের কারণ কিনা।

* আপনার সন্তান শিবির ছেড়ে দিয়েছে জেনে পুলকিত হবার পূর্বে জেনে দিন, সে আরো মারাত্মক কোন কিছুতে (যেমন- জেএমবিতে) যোগ দিল কিনা।

* আপনার সন্তান ভণ্ডপীরের দরবারে যাওয়া ছেড়ে দিল বা নিজ ভণ্ডপীরের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করল বলে সাথে সাথে খুশীতে নেচে উঠবেন

আপনার রেটিং: None

পূজা কি আমাদের কালচার?

আল্লাহ তাআলা বলেন, "তোমরা হলে শ্রেষ্ঠ জাতি, যাদেরকে পয়দা করা হয়েছে সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজের নিষেধ করার জন্য।" সেই মোতাবেক একজন মুসলমানের দায়িত্ব হল, যখন কোন মানুষকে কোন অন্যায় বা গোমরাহী করতে কিংবা ভুল পথে চলতে দেখবে, তখন তাকে উপদেশ ও নসীহতের দ্বারা ফেরানোর চেষ্টা করবে, আর তাতে ব্যর্থ হলে সেই ভ্রান্ত কাজের স্থান থেকে নিজে দূরে সরে আসবে। আর যদি কাউকে এমন কোন অন্যায় করতে দেখে যা সরাসরি অন্যের অধিকার ক্ষুণ্ন করছে বা অন্যের উপর অত্যাচার বা বলপ্রয়োগ হচ্ছে, সেক্ষেত্রে বল প্রয়োগে সেই অন্যায় বন্ধ করবে ও ভিকটিমের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। তবে ধর্মবিশ্বাসের ব্যাপারে যেহেতু কারো মনের উপর জোর চলে না, বলপ্রয়োগে কারো চিন্তা ও বিশ্বাস পরিবর্তন করা সম্ভব নয়, সেহেতু সত্যধর্মের দাওয়াত প্রদান এবং দাওয়াতে কাজ না হলে সালাম জানিয়ে ফিরে আসাই কর্তব্য। কিন্তু কারো বাতিল ধর্ম ও বাতিল কালচারের উপর কায়েম থাকার প্রতি সন্তুষ্টচিত্তে সমর্থন ও একাত্মতা প্রকাশ করা মুসলমানের কাজ নয়।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে কমুনিষ্টদের চক্রান্ত ও অপতৎপরতা

বর্তমানে রোহিঙ্গা মুসলমানরা তিন দিক থেকে সাঁড়াশি আগ্রাসনের শিকার। এক দিকে বর্মী বামপন্থী সামরিক বাহিনী উগ্র বৌদ্ধ জঙ্গিদের সহায়তায় সরাসরি গণহত্যা চালাচ্ছে, অপরদিকে বর্মী হায়েনাদের এদেশীয় এজেন্ট ধর্মবিদ্বেষী ব্লগাররা রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে ঘৃণাব্যঞ্জক প্রচারণা চালিয়ে তাদেরকে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে কোণঠাসা করার অভিযান চালাচ্ছে, আবার আরেকদল এদেশীয় কমুনিষ্ট রোহিঙ্গাদের দরদী সেজে তাদের মুক্তিসংগ্রামকে অকেজো (neutralize) করার পাশাপাশি তাদেরকে ধর্মের পথ থেকে সরিয়ে দেবার তোড়জোড় করছে। একটু খেয়াল করলে বা মাথা খাটালেই বোঝা যাবে, এই তিনটি বাহিনী মূলত একই চক্রের তিনটি শাখা এবং এই তিন বাহিনীর অভিযান একই পরিকল্পনার আওতায় সংঘবদ্ধভাবে সংঘটিত হচ্ছে। নিচে এই তিন বাহিনীর তৎপরতা পৃথকভাবে আলোচিত হলো:-

১। বমী সামরিক জান্তা ও বৌদ্ধ জঙ্গিদের গণহত্যা ও নিধন অভিযান: এদের তৎপরতার কথা নতুন করে বলার কিছু নেই। প্রত্যেকেই এ ব্যাপারে অবহিত আছেন।

আপনার রেটিং: None

আসুন রোহিঙ্গা ও উইঘুর মুসলমানদের সমর্থনে এক মাস চীনা পণ্য আমদানি বন্ধ রাখি

পৃথিবীর দুইটি কমুনিষ্ট শাসিত ও বৌদ্ধ অধ্যুষিত রাষ্ট্র দুটি মুসলিম জনপদের উপর যে আচরণ করে যাচ্ছে, তার বিরুদ্ধে আমাদের সাধারণ জনগণের তেমন একটা কিছু করার না থাকলেও ব্যবসায়ী সমাজ ইচ্ছে করলে একটা যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিতে পারেন। আমি জানি, কাজটা বেশ কঠিন ও আত্মত্যাগের বিষয়। কারণ, বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর সবগুলো দেশ চীনা পণ্যের উপর নির্ভরশীল, যেহেতু চীনারা সবচেয়ে সস্তা দামে যেকোন মাল সাপ্লাই দিতে ওস্তাদ। কিন্তু আমরা যদি আল্লাহর ওয়াস্তে দ্বীনী ভাইদের প্রতি দায়িত্ববোধ থেকে এই ত্যাগটুকু স্বীকার করি, তাহলে আল্লাহর কাছ থেকে দুনিয়া ও আখেরাতে ইতিবাচক প্রতিদান পেতে পারি। বিশেষ করে কোরবানীর মূল শিক্ষাই তো আল্লাহর হুকুম, দ্বীনের স্বার্থ ও মানবতার স্বার্থে নিজের ব্যক্তিস্বার্থ ও পারিবারিক স্বার্থকে sacrifice করা।
আপনার রেটিং: None

বর্ণচোরা ফেসবুক গ্রুপগুলোর আজব ও উদ্ভট নীতিমালা

ইদানীং কিছু ফেসবুক গ্রুপের মডারেটরগণ তাদের লক্ষ্য ও নীতিমালা হিসেবে নির্ধারণ করেছেন যে-

  • কেবল কৌতুক ও বিনোদনই তাদের লক্ষ্য।
  • গ্রুপে আস্তিক-নাস্তিক সকলে যোগদান ও পোস্ট করতে পারবেন।
  • আস্তিক বা নাস্তিক নির্বিশেষে কেউ কাউকে গালি দিতে পারবে না; তবে স্রষ্টা, ধর্ম ও ধর্মীয় মহাপুরুষগণ সম্পর্কে টিজ করতে পারবে।

দেখুন, কী চাতুর্যের সাথে নিজেদের আসল উদ্দেশ্য লুকানো হচ্ছে এবং নিজেদেরকে নিরপেক্ষ হিসেবে জাহির করা হচ্ছে! তাদের মূল লক্ষ্য হলো মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাস নষ্ট করা, স্রষ্টার থেকে মানুষকে বিচ্ছিন্ন করা এবং স্রষ্টা ও তাঁর পয়গম্বরগণের প্রতি মানুষের আস্থা ও সম্মানবোধকে বিনষ্ট করা। কিন্তু তারা বলছে, নিছক কৌতুক করাই তাদের উদ্দেশ্য। জগতে কৌতুকের বিষয়ের তো আকাল পড়েছে যে, ধর্মকেই সকল কৌতুকের উৎস হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3 (টি রেটিং)

হক ফেরকা বনাম বাতিল ফেরকা

মুসলিম সমাজে একটি হাদীস প্রচলিত আছে, "মুসলিম উম্মত ৭৩টি দলে বিভক্ত হবে, যার মধ্যে একটি মাত্র দল জান্নাতী, আর বাদবাকি সবাই জাহান্নামী।" হাদীসটি কতটা সহীহ, আমি জানি না। তবে এ হাদীসটির দোহাই দিয়ে প্রত্যেকটা দল বা মাজহাবই নিজের দলকেই একমাত্র হক ফেরকা বলে প্রচার করছে, আর বাদবাকি সবাইকে একবাক্যে বাতিল ও বিপথগামী সাব্যস্ত করছে। হাস্যকর এই অসুস্থ প্রবণতাটি বিশেষ করে দুইটি দলের মধ্যে সবচাইতে বেশি পরিলক্ষিত হয়। এই দু'দলের মাঝে আবার সাপে নেউলে সম্পর্ক। একটি দলের কাছে অপর দলটি নির্ঘাত কাফের ও সকল ফেতনার মূল।
প্রথম দলটিকে বলি, যদি তোমার ফেরকাটাই একমাত্র সহীহ ফেরকা হয়ে থাকে, তাহলে—

  • তোমার ফেরকার অনুসারীরা জগতের সবচেয়ে ধিকৃত ব্যক্তি ইয়াজিদের গুণকীর্তন করে কেন? কেন তারা নবী দৌহিত্র ইমাম হোসাইন (রা.)-এর দোষ অন্বেষণ করে বেড়ায়? যে ফেরকাটি একমাত্র সত্য ফেরকা হবে, তারা অবশ্যই সব দিক দিয়ে সত্যবাদী হবে, এটাই তো হবার কথা! কিন্তু কারবালার ঘটনার বেলায় তারা জেনেশুনে মিথ্যাচার ও ধান্ধাবাজির পরিচয় দেয় কেন?
আপনার রেটিং: None

"সেদিন জালেমদের ওযর-আপত্তি তাদের কোন উপকারে আসবে না"

فَيَوْمَئِذٍ لَّا يَنفَعُ الَّذِينَ ظَلَمُوا مَعْذِرَتُهُمْ وَلَا هُمْ يُسْتَعْتَبُونَ
অর্থ: সেদিন জালেমদের ওযর-আপত্তি তাদের কোন উপকারে আসবে না এবং তওবা করে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের সুযোগও তাদের দেয়া হবে না। (সূরা রূম: ৫৭)

এবার জালেমদের কিছু দুষ্কর্ম এবং সেসবের পক্ষে পেশকৃত সম্ভাব্য ওজর-আপত্তির একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা নমুনা হিসেবে নিম্নে পেশ করা হলো:-
আপনার রেটিং: None

স্বামী ও পুত্রদের সামনে প্রকাশ্য অনাচার - দমনের জন্য ব্লগার ভাইদের সহযোগিতা কাম্য

ব্লগার ভাইদের মধ্যে যদি এমন কেউ থেকে থাকেন, যাদের পরিচিত কেউ আইন-শৃঙ্খলা বা গোয়েন্দা বাহিনীতে আছেন যিনি বিষয়ে বর্ণিত অপরাধ দমনে এবং অপরাধীকে ধরতে আগ্রহী, তাহলে তাঁদের জ্ঞাতার্থে সংক্ষেপে বিষয়টি তুলে ধরছি:-

ঢাকা শহরের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে একটি চারতলা বাড়ির দোতলায় এক ভ্রষ্টাচারী মহিলা তার স্বামী ও প্রাপ্তবয়স্ক পুত্রদের নাকের ডগায় প্রকাশ্য অনাচারে লিপ্ত আছে এবং স্বামী ও সন্তানদেরকে তার এ কাজে সহযোগিতা করতে বাধ্য করছে। মহিলা ও তার কথিত এক ভাই পারস্পরিক যোগসাজশে ব্যবসার নামে গৃহকর্তার কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এবং এভাবে কর্তাকে নি:স্ব করে সাংসারিক দৈনন্দিন খরচের জন্য উক্ত বহিরাগত লোকটির উপর নির্ভরশীল করে ফেলেছে। এভাবে গৃহকর্তাকে অনেকটা জিম্মি করে যখন তখন ঐ লোক আগমন করে, রাত কাটায়। মহিলার স্বামী রুম ছেড়ে দিয়ে বারান্দায় একাকী রাত্রিযাপন করে, আর বেডরুমে বহিরাগত লোকটির সাথে মহিলা নিদ্রা যায়।

আপনার রেটিং: None

URGENT: ব্লগ এখনো দুই সপ্তাহ আগের অবস্থায় দেখাচ্ছে।

মডারেটর ও সম্পাদকের জরুরী দৃষ্টি কামনা করছি। এ ব্লগটি এখনো ৩ মে, ২০১৭ তারিখের পৃষ্ঠাটি প্রদর্শন করছে। লগ-ইন করলে অবশ্য আজকের পৃষ্ঠাটি দেখা যায়, কিন্তু লগ-ইন অবস্থাও স্থায়ী হয় না। কোন পোস্ট থেকে মূল পেজে ফিরে আসলেই আবার লগ-আউট হয়ে যায় এবং পুরাতন ভার্সন দেখাতে শুরু করে। নতুন পোস্ট একদম দেখা যায় না, আবার কালেভদ্রে দেখা গেলেও মন্তব্য দেখা যায় না।
আরো অদ্ভুত ব্যাপার হলো, যে কারো যে কোন পোস্টের ভিতর ঢুকলেই আপনাআপনি লগ-ইন হয়ে যায়, কিন্তু মূল পেজে ফিরে আসলে আবার আপনাআপনি লগ-আউট হয়ে যায়। ব্রাউজার বন্ধ করলে লগ-আউট হবে, তবে ভিতরের কোন পেজে ঢুকলে আবার লগ-ইন হবে।
এ সমস্যা সমাধানের জন্য নিম্নের ওয়েবলিংক থেকে সহায়তা বা ধারণা নিতে পারেন:
http://forum.bytesforall.com/showthread.php?t=18622

https://wordpress.org/support/topic/front-page-still-showing-up-from-old...

https://www.billerickson.net/dont-use-genesis-blog-template/

আপনার রেটিং: None

লগ-ইন ও পোস্ট সম্পাদনা নিয়ে অদ্ভূত সমস্যা!

ব্লগে লগ-ইন করা নিয়ে এক ভৌতিক সমস্যা দেখা গিয়েছে বিসর্গ ব্লগে। লগ-ইন করে কোন পোস্ট সম্পাদনা করবার পর দেখা যায় আপনাআপনি লগ-আউট হয়ে গেছে। ব্রাউজারে পোস্টের পুরাতন ভার্সন দেখাচ্ছে। অন্য ব্রাউজার দিয়ে চেক করে দেখি, সংশোধিত ও সংযোজিত নতুন ভার্সনটা ঠিকই যুক্ত হয়েছে।
ব্লগের মূল পেজে লগ-ইন অবস্থায় দেখা যাচ্ছে না। কিন্তু কোন পোস্টে ঢুকলে লগ-ইন অবস্থায় দেখা যাচ্ছে। আবার আমার ইউজার নেম ডবল দেখাচ্ছে। এমনকি লগ-ইন অবস্থায় থাকলেও লগ-আউট অবস্থায় দেখাচ্ছে, আবার লগ-আউট করবার পরও লগ-ইন অবস্থায় দেখাচ্ছে। সব মিলিয়ে বেশ হিজিবিজি অবস্থা।
মোটকথা, বিসর্গ ব্লগের হোমপেজ, ব্যবহারকারীর ব্লগ তালিকা এবং সম্পাদিত ব্লগ পোস্ট থেকে শুরু করে সবই শুধু old version দেখাচ্ছে। এ বিষয়ে মাননীয় মডারেটরের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3 (টি রেটিং)
Syndicate content