'মোহভঙ্গ' -এর ব্লগ

চাতূর্যপূর্ণ সাম্প্রদায়িকতা

সাম্প্রদায়িক মনোভাবাপন্ন ও সাম্প্রদায়িক এজেন্ডাধারী ব্যক্তিদের চেনা বড় কঠিন। একজন সাম্প্রদায়িক চেতনাধারী ব্যক্তি যখন কোন দেশে রাষ্ট্রক্ষমতা ও সংখ্যাগরিষ্ঠতা উভয় দিক থেকে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকে, কেবল তখনই সে স্বরূপে আত্মপ্রকাশ করে। কিন্তু যে রাষ্ট্র বা সমাজে সে এ দুটির কোন একটি থেকে বঞ্চিত অবস্থায় থাকে, এককথায় যেখানে তারা পূর্ণ ক্ষমতাহীন বা সংখ্যালঘু অবস্থায় থাকে, তখন নিজের সাম্প্রদায়িক চরিত্র সহজে ধরা দেয় না। তার নামে সাম্প্রদায়িকতার অভিযোগ শুনলেও ভাববেন, সাম্প্রদায়িক কারণে সে যদি শত্রুতা করত, তাহলে সে শুধু ঐ এজনের সাথে করবে কেন, আমাদের সকলের সাথেই তো করতে পারত! এছাড়া সে নিজ সম্প্রদায়ের মানুষজনকেও তো বকাঝকা কম করে না, চড়-থাপড় কম মারে না! কাজেই এই মানুষটা বড়জোর উচ্চাভিলাসী হতে পারে, শুধু নিজের বা নিজের আত্মীয় বা ঘনিষ্ঠ কিছু লোকের সুবিধা বাগিয়ে নিতে পারে, হয়তো নিজের ও নিজের ঘনিষ্ঠ কিছু মানুষের স্বার্থে কিছু মানুষের জীবন ও জীবিকার উপরে হাত দিতে পারে, কিন্তু ultimately কোন সম্পূর্ণ

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3 (টি রেটিং)

উদার স্বামী!

রেহনুমা, রেহানা, মর্জিনা ও মাহফুজা চার বান্ধবী। তারা পরস্পরের কাছে নিজ নিজ স্বামীদের নিয়ে গল্প করে।
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 1 (টি রেটিং)

সুযোগ-সুবিধা আগে, নাকি নিরাপত্তা আগে?

ব্যক্তিগত, পারিবারিক, পেশাগত বা জাতীয় জীবনে আমরা অনেক সময়

আপনার রেটিং: None

স্বজনপ্রীতি নিয়ে একটা গল্প

এক দিগবিজয়ী সুলতানকে তার উজির পরামর্শ দিয়ে বললেন, "জনাব,

আপনার রেটিং: None

যেমন কর্ম তেমন ফল

মানুষ যে ধরনের পাপ করে, সে ধরনের শাস্তিই ভোগ করে। অন্যায়ভাবে অন্যের যে ধরনের ক্ষতি করে, নিজেও এক পর্যায়ে ঠিক সে ধরনের ক্ষতিরই সম্মুখীন হয়। মানুষ যে অঙ্গ দিয়ে কোন অন্যায় করে, তা সে অন্যের উপর জুলুম হোক বা নিজের উপর জুলুম হোক, ঠিক সেই অঙ্গেই ক্ষতির শিকার হয়।
মুখ দিয়ে অন্যায়ভাবে সত্য-মিথ্যা গীবত করেছে, মানুষের বিপদ ঘটিয়েছে, কিন্তু নিজের চোয়ালে ব্যথা হয়নি, রুট ক্যানেল করা লাগেনি— এমন কাউকে দেখেছেন কি? মানুষকে লাথি মেরেছে, অথচ নিজের পায়ে একবারও ব্যান্ডেজ করা লাগেনি— এমন কোন নজির দেখেছেন কি? কেউ যৌন অপরাধ করেছে, অথচ যৌনাঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি বা যৌনরোগে আক্রান্ত হয়নি (অর্থাৎ, এইডস, গনোরিয়া বা ধ্বজঙ্গ হয়নি)— এরকম কারো হয়েছে কি?

আপনার রেটিং: None

আপনার আদরের সন্তানের ব্যাপারে সহজে নিশ্চিন্ত হবেন না

* আপনার সন্তান সিগারেট ছেড়ে দেবার খবর শুনেই তাৎক্ষণিকভাবে খুশীতে বাগবাগ হবেন না, সে ওটা ছেড়ে আরো বড় কিছু (যেমন- গাজা) ধরল কিনা, সেটা নিশ্চিত হয়ে নিন।

* আপনার সন্তান হস্তমৈথুন ছেড়ে দিয়েছে জেনে সাথে সাথে আনন্দিত হবেন না, সে তার চাইতে অধিক কোন পাপে (যেমন- ধর্ষণ, ব্যভিচার, সমকামিতা ইত্যাদি) লিপ্ত হলো কিনা, তা জেনে নিন।

* আপনার সন্তান আওয়ামী লীগের প্রতি বিরক্ত হয়ে পড়েছে বা গালিগালাজ করে লীগের চৌদ্দগুষ্টি উদ্ধার করতে শুরু করেছে জেনে আনন্দে আটখানা হবেন না। খোঁজ নিয়ে দেখুন, সে মনাদের দলভুক্ত হলো কিনা এবং আওয়ামী লীগ মনাদের অতটা পাত্তা না দেয়া এবং ধর্মের প্রতি কিছুটা নমনীয় ভাব দেখানোর কারণেই সে লীগের প্রতি ক্ষুব্ধ হয়ে উঠল কিনা। মনাদের দাবি মোতাবেক রোহিঙ্গাদের ঘাড় ধরে ফেরত না পাঠানোটাই সরকারের প্রতি তার ক্ষোভের কারণ কিনা।

* আপনার সন্তান শিবির ছেড়ে দিয়েছে জেনে পুলকিত হবার পূর্বে জেনে দিন, সে আরো মারাত্মক কোন কিছুতে (যেমন- জেএমবিতে) যোগ দিল কিনা।

* আপনার সন্তান ভণ্ডপীরের দরবারে যাওয়া ছেড়ে দিল বা নিজ ভণ্ডপীরের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করল বলে সাথে সাথে খুশীতে নেচে উঠবেন

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 1 (টি রেটিং)

পূজা কি আমাদের কালচার?

আল্লাহ তাআলা বলেন, "তোমরা হলে শ্রেষ্ঠ জাতি, যাদেরকে পয়দা করা হয়েছে সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজের নিষেধ করার জন্য।" সেই মোতাবেক একজন মুসলমানের দায়িত্ব হল, যখন কোন মানুষকে কোন অন্যায় বা গোমরাহী করতে কিংবা ভুল পথে চলতে দেখবে, তখন তাকে উপদেশ ও নসীহতের দ্বারা ফেরানোর চেষ্টা করবে, আর তাতে ব্যর্থ হলে সেই ভ্রান্ত কাজের স্থান থেকে নিজে দূরে সরে আসবে। আর যদি কাউকে এমন কোন অন্যায় করতে দেখে যা সরাসরি অন্যের অধিকার ক্ষুণ্ন করছে বা অন্যের উপর অত্যাচার বা বলপ্রয়োগ হচ্ছে, সেক্ষেত্রে বল প্রয়োগে সেই অন্যায় বন্ধ করবে ও ভিকটিমের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। তবে ধর্মবিশ্বাসের ব্যাপারে যেহেতু কারো মনের উপর জোর চলে না, বলপ্রয়োগে কারো চিন্তা ও বিশ্বাস পরিবর্তন করা সম্ভব নয়, সেহেতু সত্যধর্মের দাওয়াত প্রদান এবং দাওয়াতে কাজ না হলে সালাম জানিয়ে ফিরে আসাই কর্তব্য। কিন্তু কারো বাতিল ধর্ম ও বাতিল কালচারের উপর কায়েম থাকার প্রতি সন্তুষ্টচিত্তে সমর্থন ও একাত্মতা প্রকাশ করা মুসলমানের কাজ নয়।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে কমুনিষ্টদের চক্রান্ত ও অপতৎপরতা

বর্তমানে রোহিঙ্গা মুসলমানরা তিন দিক থেকে সাঁড়াশি আগ্রাসনের শিকার। এক দিকে বর্মী বামপন্থী সামরিক বাহিনী উগ্র বৌদ্ধ জঙ্গিদের সহায়তায় সরাসরি গণহত্যা চালাচ্ছে, অপরদিকে বর্মী হায়েনাদের এদেশীয় এজেন্ট ধর্মবিদ্বেষী ব্লগাররা রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে ঘৃণাব্যঞ্জক প্রচারণা চালিয়ে তাদেরকে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে কোণঠাসা করার অভিযান চালাচ্ছে, আবার আরেকদল এদেশীয় কমুনিষ্ট রোহিঙ্গাদের দরদী সেজে তাদের মুক্তিসংগ্রামকে অকেজো (neutralize) করার পাশাপাশি তাদেরকে ধর্মের পথ থেকে সরিয়ে দেবার তোড়জোড় করছে। একটু খেয়াল করলে বা মাথা খাটালেই বোঝা যাবে, এই তিনটি বাহিনী মূলত একই চক্রের তিনটি শাখা এবং এই তিন বাহিনীর অভিযান একই পরিকল্পনার আওতায় সংঘবদ্ধভাবে সংঘটিত হচ্ছে। নিচে এই তিন বাহিনীর তৎপরতা পৃথকভাবে আলোচিত হলো:-

১। বমী সামরিক জান্তা ও বৌদ্ধ জঙ্গিদের গণহত্যা ও নিধন অভিযান: এদের তৎপরতার কথা নতুন করে বলার কিছু নেই। প্রত্যেকেই এ ব্যাপারে অবহিত আছেন।

আপনার রেটিং: None

আসুন রোহিঙ্গা ও উইঘুর মুসলমানদের সমর্থনে এক মাস চীনা পণ্য আমদানি বন্ধ রাখি

পৃথিবীর দুইটি কমুনিষ্ট শাসিত ও বৌদ্ধ অধ্যুষিত রাষ্ট্র দুটি মুসলিম জনপদের উপর যে আচরণ করে যাচ্ছে, তার বিরুদ্ধে আমাদের সাধারণ জনগণের তেমন একটা কিছু করার না থাকলেও ব্যবসায়ী সমাজ ইচ্ছে করলে একটা যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিতে পারেন। আমি জানি, কাজটা বেশ কঠিন ও আত্মত্যাগের বিষয়। কারণ, বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর সবগুলো দেশ চীনা পণ্যের উপর নির্ভরশীল, যেহেতু চীনারা সবচেয়ে সস্তা দামে যেকোন মাল সাপ্লাই দিতে ওস্তাদ। কিন্তু আমরা যদি আল্লাহর ওয়াস্তে দ্বীনী ভাইদের প্রতি দায়িত্ববোধ থেকে এই ত্যাগটুকু স্বীকার করি, তাহলে আল্লাহর কাছ থেকে দুনিয়া ও আখেরাতে ইতিবাচক প্রতিদান পেতে পারি। বিশেষ করে কোরবানীর মূল শিক্ষাই তো আল্লাহর হুকুম, দ্বীনের স্বার্থ ও মানবতার স্বার্থে নিজের ব্যক্তিস্বার্থ ও পারিবারিক স্বার্থকে sacrifice করা।
আপনার রেটিং: None

বর্ণচোরা ফেসবুক গ্রুপগুলোর আজব ও উদ্ভট নীতিমালা

ইদানীং কিছু ফেসবুক গ্রুপের মডারেটরগণ তাদের লক্ষ্য ও নীতিমালা হিসেবে নির্ধারণ করেছেন যে-

  • কেবল কৌতুক ও বিনোদনই তাদের লক্ষ্য।
  • গ্রুপে আস্তিক-নাস্তিক সকলে যোগদান ও পোস্ট করতে পারবেন।
  • আস্তিক বা নাস্তিক নির্বিশেষে কেউ কাউকে গালি দিতে পারবে না; তবে স্রষ্টা, ধর্ম ও ধর্মীয় মহাপুরুষগণ সম্পর্কে টিজ করতে পারবে।

দেখুন, কী চাতুর্যের সাথে নিজেদের আসল উদ্দেশ্য লুকানো হচ্ছে এবং নিজেদেরকে নিরপেক্ষ হিসেবে জাহির করা হচ্ছে! তাদের মূল লক্ষ্য হলো মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাস নষ্ট করা, স্রষ্টার থেকে মানুষকে বিচ্ছিন্ন করা এবং স্রষ্টা ও তাঁর পয়গম্বরগণের প্রতি মানুষের আস্থা ও সম্মানবোধকে বিনষ্ট করা। কিন্তু তারা বলছে, নিছক কৌতুক করাই তাদের উদ্দেশ্য। জগতে কৌতুকের বিষয়ের তো আকাল পড়েছে যে, ধর্মকেই সকল কৌতুকের উৎস হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3 (টি রেটিং)
Syndicate content