সত্য বলা, চলা ও প্রচারই হোক বিসর্গের ভাষা...

সৃষ্টিকর্তা সম্পর্কে ওয়াইনবার্গের মন্তব্য ও কিছু কথা

“যে বিশ্ব একেবারে বিশৃঙ্খল, বিধিবিহীন, তেমন একটি বিশ্বকে কোন মুর্খের সৃষ্ট বলে ধরে নেয়া যেতে পারে” - উক্তিটি নোবেল বিজয়ী পদার্থবিদ ষ্টিফেন ওয়াইনবার্গ-এর। মানুষে মানুষে নির্দয় হানাহানী, দুর্বলের উপর শক্তিমানের যুলুম অবিচার ও শোষণ নিপীড়ন, ধনী দরিদ্রের বেদনাদায়ক ব্যবধান, কল্যাণ ও ন্যায়ের প্রতিষ্ঠাকামীদের অসহায়ত্ব, মাযলুমের উপর যালিমের অপ্রতিরোধ্য দৌরাত্ব ও সীমাহীন যুলুম -  ইত্যাদি দর্শন করে হয়তো তিনি এ উক্তিটি করেছেন। শুধু ওয়াইনবার্গ নয় মনুষ্যজগতে এমনি ধরনের অরাজকতা দেখে এ জাতীয় ধারণা পোষণ করেন এ পৃথিবীর বহু মানুষ।
তাদের প্রত্যাশা বা দাবী - এখানে এ বিশ্বে কোনও গড বা অতি শক্তিধর কেউ থাকলে পৃথিবীব্যাপী এমন হানাহানী ও অবিচার চলতে পারতো না, কোথাও অন্যায় অবিচার হওয়ামাত্র সেই গড মাটিতে নেমে এসে অন্যায়কারীকে সাথে সাথে পাথর বানিয়ে ফেলতেন কিংবা নিদেনপক্ষে অন্যায়কারীর হাত পা অবশ হয়ে যেতো .... ইত্যাদি ইত্যাদি।

আপনার রেটিং: None

চাতূর্যপূর্ণ সাম্প্রদায়িকতা

সাম্প্রদায়িক মনোভাবাপন্ন ও সাম্প্রদায়িক এজেন্ডাধারী ব্যক্তিদের চেনা বড় কঠিন। একজন সাম্প্রদায়িক চেতনাধারী ব্যক্তি যখন কোন দেশে রাষ্ট্রক্ষমতা ও সংখ্যাগরিষ্ঠতা উভয় দিক থেকে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকে, কেবল তখনই সে স্বরূপে আত্মপ্রকাশ করে। কিন্তু যে রাষ্ট্র বা সমাজে সে এ দুটির কোন একটি থেকে বঞ্চিত অবস্থায় থাকে, এককথায় যেখানে তারা পূর্ণ ক্ষমতাহীন বা সংখ্যালঘু অবস্থায় থাকে, তখন নিজের সাম্প্রদায়িক চরিত্র সহজে ধরা দেয় না। তার নামে সাম্প্রদায়িকতার অভিযোগ শুনলেও ভাববেন, সাম্প্রদায়িক কারণে সে যদি শত্রুতা করত, তাহলে সে শুধু ঐ এজনের সাথে করবে কেন, আমাদের সকলের সাথেই তো করতে পারত! এছাড়া সে নিজ সম্প্রদায়ের মানুষজনকেও তো বকাঝকা কম করে না, চড়-থাপড় কম মারে না! কাজেই এই মানুষটা বড়জোর উচ্চাভিলাসী হতে পারে, শুধু নিজের বা নিজের আত্মীয় বা ঘনিষ্ঠ কিছু লোকের সুবিধা বাগিয়ে নিতে পারে, হয়তো নিজের ও নিজের ঘনিষ্ঠ কিছু মানুষের স্বার্থে কিছু মানুষের জীবন ও জীবিকার উপরে হাত দিতে পারে, কিন্তু ultimately কোন সম্পূর্ণ

আপনার রেটিং: None

০০২. একটু ভেবে দেখুন এবং কৃতজ্ঞ হোন!

["লা-তাহযান" আরবী ভাষার একটি বহুল আলোচিত ও প্রসিদ্ধ গ্রন্থ। বইটির বাংলা অনুবাদ দেখে বিসর্গ ব্লগের পাঠকদের জন্য পর্যায়ক্রমে তুলে ধরার চেষ্টা করছি। বইটির অনুবাদ ও অনলাইন তথ্যসূত্র: www.hadithbd.com আল্লাহ্ বইটির লেখক, প্রকাশক, অনুবাদক, প্রচারকসহ যারা যেভাবে সংশ্লিষ্ট রয়েছেন; তাদের সকলকে সর্বোত্তম প্রতিদান দিন। আসুন না পড়া পর্বগুলোও পড়ে ফেলি। -তথ্য ভাণ্ডারী]

গ্রন্থঃ লা-তাহযান [হতাশ হবেন না]  | রচনা/অনুবাদ/সংকলনঃ ড. আয়িদ আল করনী

২. একটু ভেবে দেখুন এবং কৃতজ্ঞ হোন

আপনার প্রতি আল্লাহ্ তা'য়ালার অসংখ্য করুণার কথা স্মরণ করুন, কীভাবে সে করুণাসমূহ আপনাকে আপাদমস্তক বেষ্টন করে রেখেছে-আসলে সর্বদিক দিয়েই ঐ করুণাসমূহ আপনাকে ঘিরে রেখেছে।

وَإِنْ تَعُدُّوا نِعْمَتَ اللَّهِ لَا تُحْصُوهَا

“যদি তুমি আল্লাহর নিয়ামতরাজিকে গণনা করতে চাও তবে তা তুমি কখনও গণনা করে শেষ করতে পারবে না।" (১৪-সূরা ইবরাহীম: আয়াত-৩৪)

আপনার রেটিং: None

বাংলাদেশের জনপ্রিয় কিছু ই-কমার্স ওয়েবসাইট

বর্তমানে বিশ্বে e Commerce Business কতটা গ্রহণযোগ্য ও জনপ্রিয় তা কিছু পরিসংখ্যান দিলেই সহজে বুঝা যাবে। e Commerce ব্যবসার দিক দিয়ে সবচেয়ে অগ্রগামী চীন তারপরে আমেরিকা। বিশ্বের সবচেয়ে বড় দশটি 

আপনার রেটিং: None

আন্‌-নওয়াবীর চল্লিশ হাদীস: (০২)

২। এটাও উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন,

একদিন আমরা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট বসেছিলাম, এমন সময় হঠাৎ এক ব্যক্তি আমাদের সামনে উপস্থিত হয়, যার কাপড় ছিল ধবধবে সাদা, চুল ছিল ভীষণ কালো; তার মাঝে ভ্রমণের কোন লক্ষণ পরিলক্ষিত হচ্ছিল না। আমাদের মধ্যে কেউ তাকে চিনতে পারে নি। সে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকটে গিয়ে বসে, নিজের হাঁটু তার হাঁটুর সঙ্গে মিলিয়ে নিজের হাত তার উরুতে রেখে বললেন: “হে মুহাম্মাদ, আমাকে ইসলাম সম্পর্কে বলুন”।

রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: “ইসলাম হচ্ছে এই- তুমি সাক্ষ্য দাও যে, আল্লাহ্ ছাড়া আর কোন সত্য ইলাহ্ নেই এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আল্লাহর রাসূল, সালাত প্রতিষ্ঠা কর, যাকাত আদায় কর, রমাদানে সওম সাধনা কর এবং যদি সামর্থ থাকে তবে (আল্লাহর) ঘরের হজ্জ কর।”

তিনি (লোকটি) বললেন: “আপনি ঠিক বলেছেন”। আমরা বিস্মিত হলাম, সে নিজে তার নিকট জিজ্ঞাসা করেছে আবার নিজেই তার জবাবকে ঠিক বলে ঘোষণা করছে। এরপর বলল: “আচ্ছা, আমাকে ঈমান সম্পর্কে বলুন”।

আপনার রেটিং: None

হাসান আল বাসরীর পত্রাবলী থেকে

হাসান আল বাসরীর পত্রাবলী থেকে....

হাসান আল বাসরীর সাথে ইসলামের পঞ্চম খলীফা উমার ইবনু আবদিল আযিযের ছিল গভীর ভ্রাতৃত্ব ও অন্তরংগতা। ইতিহাস ও সীরাতের  গ্রন্থাবলীতে তাদের সুসম্পর্কের অনেক তথ্য পাওয়া যায়। উমার ইবনু আবদিল আযিয (রহ:) খিলাফাতের দায়িত্ব গ্রহনের পর ন্যায়পরায়ন শাসকের গুনাবলী কি তা জানতে চেয়ে হাসান আল বাসরীকে (রহ) একটি পত্র লিখেন। জওয়াবে হাসান আল বাসরী (রহ) লিখেন:

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

অথচ তারা মুমিন নয় !!!


@ পরিচ্ছন্ন পাঠের জন্য নিচের ছবিতে ক্লিক করুন>>>

ছবি: 
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

Online Payment Gateway সম্পর্কে জানুন

অনলাইনে কেনাকাটা অথবা
ব্যবসা পরিচালনার জন্যে অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে একটি অপরিহার্য অঙ্গ। বর্তমান সময়ে
অনেকেই মার্কেটে বা শপিংমলে গিয়ে কেনাকাটার চেয়ে ঘরে বসে ইন্টারনেট কানেকটেড
কম্পিউটার বা স্মার্টফোনের মাধ্যমে একটি বা দুটি বাটন টিপে তাদের পছন্দের জিনিস কেনাকাটাতেই
বেশী ঝুকছেন। যতই দিন যাচ্ছে, জ্যামিতিক হারে
এই সংখ্যা বাড়ছে, আর এর পেছনে

আপনার রেটিং: None

হাসান আল বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ)

হাসান আল বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ)
জন্ম এবং শৈশবকাল: হাসান (রাহিমাহুল্লাহ) এর পুবপুরুষ ইরাকের অধিবাসী ছিলেন। পিতার নাম পিরোয। বার হিজরীতে ইরাক বিজিত হলে পিরোয বন্দী হয়ে মাদীনায় আসেন ও ইসলাম গ্রহন করেন এবং পরবর্তীতে উম্মু সালামাহ রাদিয়াল্লাহু আনহার দাসী খাইরার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। ২১ হিজরীতে এ দম্পতিরই ঘর আলোকিত করে জন্মগ্রহন করেন হাসান। ভুমিষ্ট হবার পর হাসানকে উমার ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে নিয়ে যাওয়া হলে তিনি বললেন: শিশুটি দেখতে বেশ সুন্দর হয়েছে, তোমরা এর নাম রেখো হাসান।
এটি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ইনতেকালের ৯ বছর (মতান্তরে ১০) পরের ঘটনা। যৌবনে পদার্পন করার পর হাসান ইরাকের বাসরায় গমন করেন এবং অত:পর জীবনের বাকী অংশ সেখানেই কাটান, একারনে লোকমুখে তিনি হাসান আল বাসরীরুপে পরিচিত হন।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

উদার স্বামী!

রেহনুমা, রেহানা, মর্জিনা ও মাহফুজা চার বান্ধবী। তারা পরস্পরের কাছে নিজ নিজ স্বামীদের নিয়ে গল্প করে।
আপনার রেটিং: None
Syndicate content